April 15, 2026, 7:10 am

সংবাদ শিরোনাম
অধিকার না ব্যবসা? ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধনের অন্ধকার অর্থনীতি রেস্টুরেন্ট, ভবন, আর অদৃশ্য টাকা: এক কর্মকর্তার সম্পদের নীরব বিস্তার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন: রংপুরে ১১ দলের বিক্ষোভ দিনাজপুর বধির ইনস্টিটিউটে শিক্ষার্থীদের মাঝে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দিতে নতুন পোশাক বিতরণ সাড়ে চার কোটি বিনিয়োগ নথি ঠিক, অদৃশ্য উৎস–আয়ের শেষ গন্তব্য কোথায়? রংপুরে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আত্মীয়ের বাসা থেকে সাড়ে চার কোটির ছায়া: নথি ঠিক, উৎস অদৃশ্য নিজের অপরাধ আড়াল করতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা

পার্বত্য চট্টগ্রামের অপর দুই জেলার মতো খাগড়াছড়িতেও করোনা সংক্রমণ বেড়েছে

দিদারুল আলম,গুইমারা(খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধিঃ

mostbet
গত এক মাসের ব্যবধানে পার্বত্য চট্টগ্রামের অপর দুই জেলার মতো খাগড়াছড়িতেও করোনা সংক্রমণ বেড়েছে। শুরুর দিকে সংক্রমণমুক্ত জেলা হিসেবে চিহ্নিত থাকলেও বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে ১৫ থেকে ১৭ জন করোনা রোগী শনাক্ত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার খাগড়াছড়ি জেলা স্বাস্থ্য বিভাগীয় সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় পুলিশ ও স্বাস্থ্যকর্মীসহ আরো ২৯ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩৯৬ জনে। তবে এর মধ্যে ২০১ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন, যাদের মধ্যে অনেক পুলিশ, স্বাস্থ্যকর্মী, আনসার ও সেনা সদস্যও রয়েছেন। এছাড়া এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে জেলায় এক জন আনসার সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। করোনার উপসর্গ নিয়ে বিভিন্ন উপজেলায় মারা গেছে কমপক্ষে ১০ জন। সিভিল সার্জন ডা. নূপুর কান্তি দাশ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ পর্যন্ত ২ হাজার ৬৪৫ জনের নমুনা সংগ্রহ করে টেস্টের জন্য পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে রিপোর্ট এসেছে ২ হাজার ৬২৭ জনের।চেয়ারম্যান মো. শানে আলম বলেন, ‘লকডাউন শিথিল হওয়ার পর থেকে জনমানুষের অবাধ চলাচল ও স্বাস্থ্যবিধি না মানার কারণে এখানে দিন দিন করোনার সংক্রমণ বাড়ছে। অথচ এখানে করোনার চিকিত্সার তেমন সুবিধা এখনো সৃষ্টি হয়নি। জেলা রেড ক্রিসেট এর ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যাডভোকেট জসীম উদ্দিন মজুমদার অভিযোগের সুরে জানান, জেলায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন কাজ হলেও বরাবরই অবহেলিত স্বাস্থ্য খাত।’ খাগড়াছড়ি জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী জানান, এখানে দুর্গম এলাকার মানুষ অনেক পাহাড়ি পথ পাড়ি দিয়ে জেলা সদরে চিকিৎসার জন্য আসে। এসব প্রান্তিক মানুষের পক্ষে চট্টগ্রাম বা ঢাকায় গিয়ে চিকিৎসা নেওয়া সম্ভব না। তাই জেলা সদর আধুনিক হাসপাতালে করোনার নমুনা পরীক্ষার ব্যবস্থাসহ আইসিইউ স্থাপনের জন্য খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতাল এর আবাসিক চিকিত্সক পুর্ণ বিকাশ চাকমা সাংবাদিকদের জানান, ‘আইসিইউ না থাকায় করোনা আক্রান্ত রোগীকে বাঁচানো যায়নি। কিছুদিন আগে শ্বাসকষ্ট নিয়ে এক জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। পরদিন তিনি মারা যান। তিনি উল্লেখ করেন, মুমূর্ষু রোগীদের রেফার করেও কোনো লাভ হয় না। চট্টগ্রামে পাঠাতে গেলে পাড়ি দিতে হয় ১১০ কিলোমিটার পথ। সময় লাগে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা। এই পথ পাড়ি দেওয়া সহজ কথা নয়।সিভিল সার্জন ডা. নূপুর কান্তি দাশ মনে করেন জেলায় আইসিইউ স্থাপন জরুরি। তিনি উল্লেখ করেন, করোনায় যাদের অবস্থা মুমূর্ষ হয়ে যায় তাদের চিকিত্সা সেবা দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। আইসিইউ, ভেন্টিলেটর সুবিধা না থাকায় মুমূর্ষু রোগীরা চিকিত্সা পাচ্ছে না।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/১৮ জুলাই ২০২০/ইকবাল

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর